শিরোনাম
আইডিইবি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড এন্টারপ্রেনার্স ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন এর কমিটি গঠন ডিজিটাল বাংলাদেশের পরবর্তী ধাপ ক্যাশলেস সোসাইটি : জয় এসএমই ফাউন্ডেশনের ১০০’ কোটি টাকা ঋণের ৩৩ শতাংশ পেয়েছেন নারী উদ্যোক্তারা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আঁতাতকরী বিএনপি নেতা নাসিরকে গনধোলাই দিলো কর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা নিয়ে স্বজনপ্রীতি সহ্য করা হবে না : ওবায়দুল কাদের করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ৩২০০ কোটি টাকার নতুন প্রণোদনা প্যাকেজের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের হাসেম ফুড পরিদর্শনে এসে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ চলমান লকডাউন শিথিল, ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর বিধি-নিষেধের প্রজ্ঞাপন জারি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘে প্রস্তাব গৃহীত করোনা রোগীর চাপে চট্টগ্রাম মেডিকেলে সাধারণ রোগী ভর্তি বন্ধ করে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:০৪ অপরাহ্ন

করোনায় কেনাকাটাঃ ভরসা অনলাইন শপে,শপিংমলে নয়

মোঃ রবিউল ইসলাম রুবেল, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, পিআরবি নিউজ
আপডেট শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২০

বর্তমান বৈশ্বিক করোনাভাইরাসের সংকটকালে ঘরের বাইরে বের হলেই সংক্রমণের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই আশঙ্কায় দীর্ঘদিন ধরে অধিকাংশ শপিংমল ও কাপড়ের দোকানগুলো বন্ধ রয়েছে। জুনের শুরুর দিকে সরকারের গ্রীন সিগন্যাল পেয়ে বেশিরভাগ দোকান-পাট চালু হলেও ক্রেতার অভাবে তেমন একটা ব্যবসা করতে পারছেন না।

যদিও এই মুহূর্তে শপিং মলে দোকান চালু করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এরপরও জীবন ও জীবিকার তাগিদে কিছু শপিংমল ও দোকান চালু হলেও ক্রেতাদের তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। দোকান মালিকরা বলছেন প্রায় ষাট শতাংশ বিক্রি কমে গেছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে অধিকাংশ দোকান মালিককে দোকান ছেড়ে দিতে হতে পারে বলে আশংকা করছেন অনেকে। তবে আমি মনে করি এ মূহুর্তে ব্যবসায়ীদেকে লাভের চিন্তার থেকে নিজের নিরাপত্তা ও তার পাশাপাশি ব্যবসা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা উচিত। ব্যবসা টিকে থাকলে জীবনে অনেক সুযোগ আসবে। কারণ এ ব্যবসার সাথে জড়িত লক্ষ কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন করোনা মহামারী আগামী ১ বছরেও এদেশ থেকে পুরোপুরি নিরাময় হবে না।
ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে মার্কেটে শপিং করতে যাওয়ার চেয়ে ঘরে বসেই কেনাকাটার সুযোগটাকে কাজে লাগাতে চাইবেন বেশিরভাগ ক্রেতা। যদিও মহামারীতে কেনাকাটা কম হবে। কারণ, বেশিরভাগ মানুষ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জে আছে। তারপরও অনলাইনে কেনাকাটা বাড়বে বলে আশা করা যায়। অনেক ক্রেতাই মার্কেটে যেতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন না। এক্ষেত্রে একটা  চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ক্রেতাকে সঠিক সময়ে পণ্য পৌঁছে দেওয়া। দেশব্যাপী ডেলিভারি সিস্টেম আগের মতো স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগতে পারে। যানবাহন ও ডেলিভারীম্যান সংকট এর কারনে পন্য পৌঁছে দেওয়ার খরচ ও অনেক বেড়ে গেছে।

পোশাকের হোলসেল ব্র্যান্ড ‘জানশাইন এ্যাপারেলস’ (www.facebook.com/ZunshaynApparels) বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ‘রিসেলার’ সেবা চালু করেছে। যেকোন ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল পণ্যের বিক্রেতা বা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে জানশাইনের পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। যার জন্যে বিক্রেতাকে কোন প্রকার জামানত বা বিনিয়োগ করতে হবে না। এটা শুধু গ্রাহকদের জন্যই নয় বরং ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি বেকার হয়ে যাওয়া যুবকদের জন্যও একটি স্বস্তির খবর।

ঢাকা/পিআরবি/৪৩/সম্পাদকীয়/বিপ্র


এই বিভাগের আরো খবর
greengrocers

Categories

Archives