শিরোনাম
আইডিইবি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড এন্টারপ্রেনার্স ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন এর কমিটি গঠন ডিজিটাল বাংলাদেশের পরবর্তী ধাপ ক্যাশলেস সোসাইটি : জয় এসএমই ফাউন্ডেশনের ১০০’ কোটি টাকা ঋণের ৩৩ শতাংশ পেয়েছেন নারী উদ্যোক্তারা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আঁতাতকরী বিএনপি নেতা নাসিরকে গনধোলাই দিলো কর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা নিয়ে স্বজনপ্রীতি সহ্য করা হবে না : ওবায়দুল কাদের করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ৩২০০ কোটি টাকার নতুন প্রণোদনা প্যাকেজের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের হাসেম ফুড পরিদর্শনে এসে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ চলমান লকডাউন শিথিল, ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর বিধি-নিষেধের প্রজ্ঞাপন জারি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘে প্রস্তাব গৃহীত করোনা রোগীর চাপে চট্টগ্রাম মেডিকেলে সাধারণ রোগী ভর্তি বন্ধ করে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:২১ পূর্বাহ্ন

কালের সাক্ষী কুমিল্লার তিন গম্বুজ মসজিদ

জেলা প্রতিনিধি ,পিআরবি নিউজ
আপডেট রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

কুমিল্লার তিন গম্বুজ ওয়ালা জামে মসজিদটি কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আজও। কুমিল্লার হোমনার তেভাগিয়া গ্রামের পাখি ডাকা, ছায়া ঢাকা, অনাবিল সুখ-শান্তির সুশীতল পরিবেশে অবস্থিত মসজিদটি। মসজিদটির ভেতর ও বাহিরে রয়েছে অপূর্ব সৌন্দর্য বিভিন্ন কারুকাজে নির্মাণ করা হয়। পুরো মসজিদ টি চুনশুরকি দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। ভেতরের মিম্বরটিতে রয়েছে সুনিপুণ হাতে নির্মিত অপূর্ব কারুকাজ। যে কেউ একবার দেখলে মন ভরে যায় সৌন্দর্যের কারণে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সুদৃশ্য কারুকাজ খচিত তিনটি গম্বুজ। ভেতরের দেয়ালে দৃষ্টিনন্দন অলংকরণ। নির্মাণশৈলীতে সুলতানি স্থাপত্যরীতির পূর্ণ প্রকাশ। মসজিদটি সুনিপুণ হাতে নির্মিত তবে মসজিদটিতে কোনো শিলালিপি নেই। ফলে প্রতিষ্ঠার লিখিত সময় জানা নেই কারো। স্থাপত্য রীতি দেখে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এটি ১২৫০ খ্রিস্ট্রাব্দে হুসেন শাহ সুলতানের পরবর্তী বংশধরা এ মসজিদটি নির্মাণ করেছেন। সে হিসেবে মসজিদটির বয়স ৪০০ বছরের বেশি। সুলতানী শাসন আমলে তার বংশধর হোমনায় মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করে ৩২ শতক জায়গাসহ এটি ওয়াকফ করে যান। ওয়াক্ফ কার্যালয়ে গিয়ে তেভাগিয়া সরকারবাড়ী মসজিদটি ওয়াক্ফ স্টেট-এর ফাইলে কোনো কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট ওয়াক্ফ সহকারী প্রশাসক মনির হোসেন বাসসকে বলেন, এ ওয়াকফ স্টেটটির বহুদিন ধরে কোনো তত্ত্বাবধায়ক ছিল না। তবে মসজিদটি না ভেঙে সংস্কার করে সংরক্ষণের জন্য বলেন।

নগর গবেষণা কেন্দ্রের স্থপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, এখনো মসজিদটি যে অবস্থায় আছে, তা সংরক্ষণযোগ্য। তিনি বলেন, প্রাচীন নিদর্শন বলতে হোমনা উপজেলায় এখন এ মসজিদটিই টিকে আছে। আগে সুলতানী আমলের আরো ২/১ মসজিদ ছিল সেগুলোও কালের বির্ততনে হারিয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ আছে প্রত্নসম্পদের পূর্ণ তালিকা করতে হবে। তার আগে কোনো প্রাচীন ভবন ভাঙা যাবে না। অথচ একের পর এক প্রাচীন স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা হচ্ছে। মসজিদটির বর্তমান কমিটির সেক্রেটারী মোঃ ইদ্রিস মিয়া বাসসকে বলেন, তৎসময়ে এলাকায় মুসলমানদের নামাজ পড়ার জন্য তেমন উল্লেখযোগ্য কোন মসজিদ ছিল না। তাই হুসেন শাহ সুলতানের বংশধরা মুসলমানদের নামাজ পড়ার জন্য মসজিদটি নির্মাণ করে গেছেন। তবে বর্তমান মসজিদ কমিটিসহ স্থানীয়দের দাবি তেভাগিয়া সরকার বাড়ি মসজিদটি সংস্কার করে প্রত্নসম্পদের  হিসেবে সংরক্ষণ করে রাখার জন্য।

এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আবুল ফজর মীর বাসসকে বলেন, সুলতালী শাসন আমলের এ মসজিদটির কথা জানা ছিল না। তবে এখন মসজিদটির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে সংরক্ষণের করতে কাজ শুরু করবেন বলে জানান।


এই বিভাগের আরো খবর
greengrocers

Categories

Archives