শিরোনাম
আইডিইবি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড এন্টারপ্রেনার্স ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন এর কমিটি গঠন ডিজিটাল বাংলাদেশের পরবর্তী ধাপ ক্যাশলেস সোসাইটি : জয় এসএমই ফাউন্ডেশনের ১০০’ কোটি টাকা ঋণের ৩৩ শতাংশ পেয়েছেন নারী উদ্যোক্তারা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আঁতাতকরী বিএনপি নেতা নাসিরকে গনধোলাই দিলো কর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা নিয়ে স্বজনপ্রীতি সহ্য করা হবে না : ওবায়দুল কাদের করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ৩২০০ কোটি টাকার নতুন প্রণোদনা প্যাকেজের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের হাসেম ফুড পরিদর্শনে এসে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ চলমান লকডাউন শিথিল, ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর বিধি-নিষেধের প্রজ্ঞাপন জারি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘে প্রস্তাব গৃহীত করোনা রোগীর চাপে চট্টগ্রাম মেডিকেলে সাধারণ রোগী ভর্তি বন্ধ করে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৪:০৮ অপরাহ্ন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর মিনা পাল নায়িকা কবরী মারা গেল

মোঃ সিরাজুল মনির, উপদেষ্টা সম্পাদক, পিআরবি নিউজ
আপডেট শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১

শতাব্দীর ষাট ও সত্তরের দশকে অন্যতম শীর্ষ জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ছিলেন সারাহ বেগম কবরী। জন্মসূত্রে কবরীর নাম ছিল মিনা পাল। ১৯৫০ সালের ১৯ জুলাই চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালীতে তার জন্ম। তার বাবা শ্রীকৃষ্ণদাস পাল এবং মা শ্রীমতি লাবণ্যপ্রভা পাল।


জন্মস্থান বোয়ালখালী হলেও শৈশব ও কৈশোর বেড়ে ওঠা চট্টগ্রাম নগরীতে। ১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে মঞ্চে আবির্ভাব হয় তার।
১৯৬৪ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুভাষ দত্তের পরিচালনায় ‘সুতরাং’ সিনেমার নায়িকা হিসেবে অভিনয় জীবনের শুরু করেন কবরী। প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার সুভাষ দত্ত নির্মাণ করেন ‘সুতরাং’ ছবিটি। এই ছবির জন্য চট্টগ্রাম থেকে আনা হয়েছিল মিনা পাল নামের এক কিশোরীকে। ‘সুতরাং’ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে মিনা পালের ফিল্মি নাম হয়ে যায় কবরী। ‘সুতরাং’ মুক্তি পেলে এই ছবি এবং ছবির নায়িকা হিসেবে কবরী দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হন।

তারপর জনপ্রিয় নায়িকা হিসেবে চলচ্চিত্র দুনিয়ায় কবরীর শুধুই দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলা। একদিকে দক্ষ অভিনয় অন্যদিকে মনকাড়া হাসি দিয়ে সহজেই তিনি দর্শকমন হরণ করেন। তাই দর্শক তাকে ‘মিষ্টি মেয়ে কবরী’ আখ্যা দিতে ভোলেননি।

অভিনয় করেছেন ‘হীরামন’, ‘ময়নামতি’, ‘চোরাবালি’, ‘পারুলের সংসার’, ‘বিনিময়’, ‘আগন্তুক’ সিনেমায়। জহির রায়হানের তৈরি উর্দু সিনেমা ‘বাহানা’তে অভিনয় করেন কবরী। ভারতের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের কালজয়ী ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করারও সুযোগ পেয়েছিলেন এই বরেণ্য অভিনেত্রী।কবরী অভিনীত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে, ‘নীল আকাশের নিচে’, ‘ঢেউয়ের পর ঢেউ’, ‘পরিচয়’, ‘অধিকার’, ‘বেঈমান’, ‘অবাক পৃথিবী’, ‘সোনালী আকাশ’, ‘দীপ নেভে নাই’, ‘জলছবি’, ‘সাত ভাই চম্পা’, ‘বাঁশরি’, ‘যে আগুনে পুড়ি’, ‘দর্প চূর্ণ’, ‘লালন ফকির’, ‘রংবাজ’, ‘মাসুদ রানা’, ‘সুজন সখী’, ‘সাধারণ মেয়ে’, ‘গুণ্ডা’, ‘আঁকাবাঁকা’, ‘কত যে মিনতি’, ‘অধিকার’, ‘স্মৃতিটুকু থাক’, ‘সারেং বউ’, ‘বধু বিদায়’, ‘আরাধনা’, ‘বেইমান’, ‘অবাক পৃথিবী’, ‘কাচ কাঁটা হীরা’, ‘উপহার’, ‘আমাদের সন্তান’, ‘হীরামন’, ‘দেবদাস’, ‘আমার জন্মভূমি’, ‘দুই জীবন’ ইত্যাদি।

২০০৫ সালে ‘আয়না’ নামের একটি ছবি নির্মাণের মাধ্যমে চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন কবরী। এমনকি ওই ছবির একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে তিনি অভিনয়ও করেছিলেন। এরপর রাজনীতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। যুক্ত হয়েছেন অসংখ্য নারী অধিকার ও সমাজসেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে। অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৭-তে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর আত্মজীবনীমূলক বই ‘স্মৃতিটুকু থাক’।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে শোক নেমেছে চলচ্চিত্রাঙ্গনে।


এই বিভাগের আরো খবর
greengrocers

Categories

Archives