শিরোনাম
আইডিইবি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড এন্টারপ্রেনার্স ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন এর কমিটি গঠন ডিজিটাল বাংলাদেশের পরবর্তী ধাপ ক্যাশলেস সোসাইটি : জয় এসএমই ফাউন্ডেশনের ১০০’ কোটি টাকা ঋণের ৩৩ শতাংশ পেয়েছেন নারী উদ্যোক্তারা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আঁতাতকরী বিএনপি নেতা নাসিরকে গনধোলাই দিলো কর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা নিয়ে স্বজনপ্রীতি সহ্য করা হবে না : ওবায়দুল কাদের করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ৩২০০ কোটি টাকার নতুন প্রণোদনা প্যাকেজের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের হাসেম ফুড পরিদর্শনে এসে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ চলমান লকডাউন শিথিল, ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর বিধি-নিষেধের প্রজ্ঞাপন জারি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘে প্রস্তাব গৃহীত করোনা রোগীর চাপে চট্টগ্রাম মেডিকেলে সাধারণ রোগী ভর্তি বন্ধ করে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন

পাহাড়ে পাহাড়ে রঙিন কমলা

জেলা প্রতিনিধি ,পিআরবি নিউজ
আপডেট বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

পাহাড়ে এবার কমলার বাম্পার ফলন হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার কমলার ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকরা লাভবান হয়েছে। রাঙ্গামাটির নানিয়াচর, লংগদু, বিলাইছড়ি, জুরাছড়িসহ বিভিন্ন উপজেলায় কমলা,মাল্টাসহ বিভিন্ন মৌসুমী ফলের চাষাবাদ করা হয়।

পাহাড়ে উৎপাদিত কমলা ফরমালিনমুক্ত ও সুস্বাদু হওয়াতে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাহাড়ের কমলার রয়েছে অনেক সুনাম।
এবার রাঙ্গামাটির অন্যান্য উপজেলার চেয়ে নানিয়াচর উপজেলায় কমলার ফলন ভালো হয়েছে। উপজেলার বুড়িঘাট, সাবেক্ষ্যং ইউনিয়নের কমলার বাগানগুলোতে পাহাড়ে এখন শোভা পাচ্ছে রঙিন সুস্বাদু কমলা। অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার ফলন ভালো হওয়াতে কৃষকরা অনেক খুশি এবং এবার লাভের পরিমান বাড়বে বলে আশা তাদের। পাহাড়ে কমলা চাষ করে সফল হওয়া কৃষক নানিয়াচর উপজেলার বাগান মালিক রঞ্জন চাকমা জানান, এ বছর তার কমলা বাগানের ফলন অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক ভালো হয়েছে এবং এবারে কমলা বিক্রি করে তিনি অনেক লাভবান হয়েছে বলে জানান।

পাহাড়ী জমিতে মাটির উর্বরতার উপর ভিত্তি করে এখানে উৎপাদিত এক একটি কমলার ওজন ৩শ থেকে ৪শ গ্রাম পর্যন্ত হয়। পাহাড়ে উৎপাদিত এসব কমলা বাজারে আকার জোড়া প্রতি ৪০ থেকে ৮০ টাকা এবং ৫০-১০০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রাঙ্গামাটি জেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে বাংলাদেশে যেসব এলাকায় কমলার আবাদ হয় তারমধ্যে রাঙ্গামাটির জেলার মধ্যে নানিয়াচর উপজেলার বুড়িঘাট ও সাবেক্ষং ইউনিয়নে উৎপাদিত কমলাগুলো সবচেয়ে বড় এবং সুস্বাদু। এ বছর জেলায় উৎপাাদিত কমলার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার উপরে বলে জানান উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শান্তি রঞ্জন চাকমা।
পাহাড়ে কমলাসহ অন্যান্য ফসলের অপার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে রাঙ্গামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাঙ্গামাটি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক পবন কুমার চাকমা জানান, পাহাড়ী এলাকায় এখন কমলা,মাল্টাসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদন করে এখানকার কৃষকরা অনেক লাভবান এবং সফল হওয়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় কমলা-মাল্টার চাষ অনেক বেড়েছে।

এ সম্ভবনাকে কাজে লাগাতে পাহাড়ের পরিত্যক্ত জমিতে কমলা-মাল্টাসহ অন্যান্য সম্ভাবনাময় ফসলের উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্নভাবে উৎসাহিত এবং সহযোগিতা করা হচ্ছে। তিনি জানান, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় ৮০০ হেক্টর জমিতে কমলার বাগান রয়েছে এবং এবছর ৯ হাজার ৬শ মেট্রিক টন কমলার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। পাহাড়ে কমলা উৎপাদনের ব্যাপক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পরিত্যক্ত পাহাড় ব্যবহার করে এখানকার কমলা উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বেকার সমস্যা সমাধান অনেকাংশে সমাধান করা সম্ভব বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।


এই বিভাগের আরো খবর
greengrocers

Categories

Archives